|
 |
|
 |
|
 |
|
সাধারণ মানুষের দাবী
-
মূল্যবোধ বাড়াতে দুর্নীতি
ও
সন্ত্রাসের সংজ্ঞা চাই
যাহারা উত্তম কার্য করে তাহাদের জন্য উত্তম বিনিময় এবং আরো অধিক আশীর্বাদ।
যাহারা মন্দ কাজ করিবে,
মন্দ
কাজের প্রতিফল উহার অনুরূপ হইবে এবং লাঞ্ছনা তাহাদিগকে আচ্ছন্ন করিবে;
তাহাদিগকে আল্লাহ্ হইতে রক্ষা করিবার কেহ থাকিবে না। (আল-কুরআন - ১০
:
২৬-২৭)
শেখ উল্লাস
॥ বর্তমান সরকার গঠিত হওয়ার পর থেকেই সরকার পক্ষ থেকে দ্ব্যর্থহীন কন্ঠে বলা
হচ্ছে যে,
তারা
দেশ থেকে সন্ত্রাস ও দুর্নীতির মূলোৎপাটন করবেন। কিন্তু সরকারের পক্ষে এখন
পর্যন্ত সন্ত্রাস ও দুর্নীতির সংজ্ঞা নির্ধারণ করে দেয়া হয়নি বলে এ নিয়ে
রাজনৈতিক মিথ্যাচার চলছে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে এবং টক শোতে যা নিয়ে সচেতন ও
বিবেকবান মহল চিন্তিত। মানবজাতি ও মানব সভ্যতার উষালগ্ন থেকেই মানুষ যখন
ব্যক্তি ও গোষ্ঠীর সম্পত্তি ও সুযোগ-সুবিধার
দিকে মনোনিবেশ করেছে তখন থেকেই সমাজে শুরু হয়েছে হত্যা-মারামারি,
কলহ-বিবাদ। ...
(বিস্তারিত)
|
|
গ্রহণযোগ্য
নির্বাচনে সব দলের অংশগ্রহণ!
আল্লামা মোহাম্মদ সাদেক নূরী ॥
বাংলাদেশের জাতীয় সংসদের আসন্ন নির্বাচন সম্পর্কে একটি মহলের নানা মুখে
প্রায়শঃ উচ্চারিত হচ্ছে
‘সব
দলের অংশ গ্রহণে গ্রহণযোগ্য নির্বাচন’
প্রবাদ বাক্যের মতো। গ্রহণযোগ্যতা কার্যকর নির্বাচনের অপরিহার্য বৈশিষ্ট্য।
বিষয়টি বিতর্কের উর্দ্ধে। কিন্তু নির্বাচন
‘গ্রহণযোগ্য’
হওয়ার
সাথে নির্বাচনে
‘সব
দলের অংশগ্রহণ’
শর্ত
হতে পারে না। কারণ,
কোন
নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা বা না করা প্রত্যেকের ঐচ্ছিক বিষয় এবং একান্ত নিজস্ব
সিদ্ধান্ত। সুতরাং নির্বাচন
‘গ্রহণযোগ্য’
হওয়ার
ক্ষেত্রে
‘সবদলের
অংশগ্রহণ’-এর
শর্তারোপ অসংবিধানিক,
অগণতান্ত্রিক এবং অবাস্তবও বটে। ...
(বিস্তারিত)
|
|
রাজনীতিকদের মিথ্যাচারে
জাতি
দিশেহারা হয়ে সত্য খুঁজছে
সংলাপ ॥
*
শয়তান
মানুষকে বিপদের সময় ছেড়ে চলে যায় (২৫:২৯)
বোমা
ও ককটেল নিয়ে সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেও হামলাকারীরা পবিত্র ধর্মের মুখোশে
নিজেদের আসল উদ্দেশ্য ও পরিচয় আড়াল করতে চেয়েছে । দেশবাসী তাদের উদ্দেশ্য
সুস্পষ্টভাবে ধরতে পেরেছেন। ওদের উদ্দেশ্য যুদ্ধাপরাধীদের বিচার বিলম্বিত করে
সরকার ও দেশের সুনাম নষ্ট করা। তাই চিন্তাবিদদের মতে দেশের স্বার্থে,
গণতন্ত্র ও শান্তি রক্ষার জন্য জনগণকেই সন্ত্রাসী,
দুর্নীতিবাজ ও বোমাবাজদের কঠোর হাতে দমনের উদ্যোগ নিতে মাঠে নামার সময় এসেছে।
এরই মধ্যে বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে জনগণ মাঠে নেমে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে। ...
(বিস্তারিত)
|
|
প্রতিরোধ গড়ে তোলার এখনই সময়
সংলাপ ॥
ধর্মের নামে,
দারিদ্র্যের নামে,
মুক্তিযুদ্ধের নামে,
জাতীয়তার নামে,
বুদ্ধিবৃত্তিক চতুরতার বিরুদ্ধে গণপ্রতিরোধ গড়ে তোলার এখনই সময়। বাঙালির
প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশকে শকুনের মতো ছিঁড়ে খাচ্ছে লুন্ঠনকারীরা। সীমাহীন
দুর্বৃত্তায়নে বিপন্ন আজ বাংলাদেশ। অসুস্থ রাজনীতির পঁচাগন্ধ আমজনতার কাঁধে।
রাষ্ট্রীয় সম্পদ লুন্ঠনকারীদের বিরুদ্ধে এখন প্রতিবাদ জানানোর সময়,
প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে দেশবাসীকে। বিগত দিনের রাষ্ট্রনায়ক থেকে তৃণমূলের
রাজনীতিক,
আমলা,
ব্যবসায়ী,
ডাক্তার,
শিক্ষক,
আইনজীবী,
বিচারপতি,
পত্রিকার সম্পাদক,
সাংবাদিকসহ বিভিন্ন পেশার লোকই বুদ্ধিবৃত্তিক দুর্নীতির নেশায় মত্ত ছিলেন।
বর্তমানের সরকারের সাহসী ও কঠোর পদক্ষেপে বেরিয়ে আসছে দুর্নীতির খবরগুলো। ...
(বিস্তারিত)
|
|
সাপ
ছোবল দিতে পারে
শাহ্ নাসরিন ॥
এ
দেশের দুর্নীতিবাজ রাজনীতিকরা আবার মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। যে জনগণের রক্ত চুষে
খেয়েছে,
সেই
সরলপ্রাণ সাধারণ মানুষের সমর্থনই তাদের পুঁজি। কাজেই বর্তমানে এ দেশের সাধারণ
মানুষকে খেপিয়ে তোলার অপকৌশলে ব্যস্ত তারা। এ দেশের সাধারণ মানুষের
চাওয়া-পাওয়া অত্যন্ত সীমিত,
ভাত-কাপড় পেলেই তারা খুশি। দেশের জনগণ চাল-ডালের দাম দিয়ে সরকারের সততা বিচার
করে;
তাদেরকে খেপিয়ে তোলা যায় অতি সহজেই। সবচেয়ে অবাক লাগে এ দেশের জনগণের এতটুকু
সাধ বলতে গেলে কোনো সরকারই পূরণ করতে পারেনি। স্বাস্থ্য,
বাসস্থান,
শিক্ষার অধিকার নিয়ে তারা মোটেই সচেতন নয়;
ভাত-কাপড় পেলেই খুশি। এ দেশের সাধারণ মানুষের একটা বিরাট অংশ অন্ধের মতো
ভালোবাসতো এ দেশের কোনো কোনো নেতা-নেত্রীকে। ...
(বিস্তারিত)
|
|
 |
|
আল্লাহ্ কেন এক উম্মত বানাননি?
দিগন্ত ॥
‘আর
তোমার প্রভু-প্রতিপালক যদি চাইতেন অবশ্যই তিনি সব মানুষকে এক উম্মত বানিয়ে
দিতেন। কিন্তু তারা সব সময় মতভেদ করতেই থাকবে’
(সুরা
হূদ : ১১৮)।
‘আর
আল্লাহ চাইলে তিনি তাদের এক উম্মত বানিয়ে দিতেন,
কিন্তু তিনি যাকে চান নিজ কৃপার অন্তর্ভুক্ত করেন। (সুরা আশ শুরা : ৮)।
‘আর
আল্লাহ যদি চাইতেন তিনি অবশ্যই তোমাদের সবাইকে একই উম্মতে পরিণত করে দিতেন।
কিন্তু যে পথভ্রষ্ট হতে চায় তিনি তাকে পথভ্রষ্ট হতে দেন এবং যে সঠিক পথ পেতে
চায় তিনি তাকে সঠিক পথ দেখান। আর তোমরা যা-ই করতে সে সম্পর্কে তোমাদের অবশ্যই
জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে’ (সুরা
আন নাহল : ৯৩)।
(বিস্তারিত)
|
|
বিশ্ব
মা দিবসে আহবান -
আসুন
আমরা ‘মা’
শব্দটি
ঘরে ঘরে চালু করি
ফাতেমা আফরোজ ॥
মাকে
সম্মান দেখানোর আনুষ্ঠানিক ঘটনা ঘটে সর্বপ্রথম প্রাচীনকালে গ্রীস দেশে। দেবতা
জননী হিসাবে কথিত সম্রাজ্ঞী করোনাসের স্ত্রী রিয়া’র
সম্মানে বসন্তকালীন উৎসব পালনের মধ্য দিয়ে মাকে জানানো হয়েছিলো অভিনন্দন।
১৬৮০ খৃষ্টাব্দে ইংল্যান্ডে পালিত হয়েছে
‘মায়ের
রোববার’।
ওই
সময় ইংল্যান্ডের দরিদ্র মানুষ ভৃত্য হিসাবে কাজ করতো ধনীদের গৃহে।
‘মাদারিং
সানডে’-তে
তাদের ছুটি থাকতো। তাদের উৎসাহ দেয়া হতো বাড়ি যেতে। মায়ের সঙ্গে সময় কাটাতে।
ওরা নিয়ে যেত মায়ের জন্য কেক,
যে
কেককে বলা হতো মাদারিং কেক। কাজেই ইংল্যান্ডে পুরো ব্যাপারটিই হয়ে উঠতো
উৎসবের মতো। ...
(বিস্তারিত)
|
|
গেছে দেশ দুঃখ নাই
আবার তোরা মানুষ হ’
স্বাধীনতা হারাইয়া আমরা যখন আত্মশক্তিতে অবিশ্বাসী হইয়া পড়িলাম এবং আকাশ-মুখো
হইয়া কোন অজানাপাষাণ দেবতাকে লক্ষ্য করিয়া কেবলই কান্না জুড়িয়ে দিলাম,
তখন
কবির কন্ঠে আশার বাণী দৈব-বাণীর মতই দিকে দিকে বিঘোষিত হইল,
“গেছে
দেশ দুঃখ নাই,
আবার
তোরা মানুষ হ’!”
বাস্তবিক আজ আমরা অধীন হইয়াছি বলিয়া চিরকালই যে অধীন হইয়া থাকিব,
এরূপ
কোন কথা নাই। কাহাকেও কেহ কখনো চিরদিন অধীন করিয়া রাখিতে পারে নাই,
কারণ
ইহা প্রকৃতির নিয়ম-বিরুদ্ধ। প্রকৃতির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করিয়া কেহ কখনো
জয়ী হইতে পারে না। ...
(বিস্তারিত)
|
|
ইসলামের নয় নিজেদের হেফাজত করুন
সিদ্ধার্থ হক ॥
ইসলাম
ধর্মের কোনো ক্ষতি করা কারো পক্ষে সম্ভব নয়। আল্ল্লাহতায়ালার ঘোষণা হলো -
‘নিশ্চয়
আমি এ কুরআন অবতীর্ণ করেছি এবং নিশ্চয় আমিই এর হেফাজতকারী (সুরা হিজর:৯)। এই
আয়াতে কুরআন সংরক্ষণ করার যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে তা শ্বাশত।
একটা
সময় ছিলো যখন মহানবী (সা.) এবং তাঁর সাহাবাগণের জীবন চরম বিপজ্জনক অবস্থার
মধ্যে ছিল এবং শত্রুপক্ষ শান্তিধর্ম প্রচারের চেষ্টাকে সম্পূর্ণরূপে
নিশ্চিহ্ন করে দিতে পারতো। সেই চরম দূরাবস্থার মধ্যে আল্লাহ
প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন যে,
ইসলামবিরোধীদের সকল চক্রান্ত তিনি নস্যাৎ করে দেবেন এবং কুরআনকে তিনি হেফাজত
করবেন। শত্রুপক্ষ ছিল অত্যন্ত শক্তিশালী ও অতি নির্মম। ... (বিস্তারিত)
|
|
দুনিয়াতে কাফেরের শাস্তির বিধান নেই
সাদিকুল হক ॥
‘অন্যায়ভাবে
কোন জনপদকে তোমার প্রতিপালক ধবংস করেন না,
যদি
তার অধিবাসীরা নিজেদেরকে সংশোধন করে নেয়।’
(১১
সুরা হুদ : ১১৭)।
আল্ল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে অন্যায়-অবিচারের কোনো আশঙ্কা নেই। অতীতে যেসব
জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে,
তারা
প্রকৃতপক্ষেই ধ্বংসের শিকার হওয়ার মতো মারাত্মক অপরাধে যুক্ত ছিল। উক্ত আয়াতে
মুসলিহূন শব্দের মাধ্যমে এমন সব লোককে বোঝানো হয়েছে,
যারা
কাফের-মুশরিক হওয়া সত্ত্বেও লেনদেন,
আচার-ব্যবহার এবং নীতি-নৈতিকতায় ভালো,
যারা
মিথ্যা কথা বলে না,
ধোঁকাবাজি করে না,
অন্যের কোনো ক্ষতি করে না। ...
(বিস্তারিত)
|
|
গুজব
থেকে সাবধান!
আরিফীন
হক ॥
আল্লাহ্ আমাদেরকে গুজব থেকে সাবধান থাকার নির্দেশ দিয়ে বলেন -
“যে
বিষয়ে তোমার জ্ঞান নেই,
তা
অনুসরণ করো না। চোখ,
কান ও
অন্তঃকরণ প্রত্যেকের কৈফিয়ত তলব করা হবে।”
(১৭
সুরা বনী ইসরাইল : ৩৬)।
কুরআনের নির্দেশ,
যে
বিষয়ে তোমার জানা নেই তা অনুসরণ করো না। জানা হচ্ছে কোন বিষয় বা ঘটনা
সম্পর্কে পুরোপুরি নিশ্চয়তার স্তর পর্যন্ত পৌঁছে যাওয়া। কোন তথ্য অকাট্য ও
নিশ্চিত সূত্রে সমর্থিত না হলে তা অনুসরণ করা কুরআন নিষিদ্ধ।
...
(বিস্তারিত)
|
|
 |
| |
|
|