ওপার
বাংলায় গত ৩০ তারিখে উত্তরায়ণে রবীন্দ্রনাথের ব্যবহৃত
'হাম্বার
গাড়ি'
রাস্তায় চলল।
স্টিয়ারিং ধরে চালকের আসনে বসেছিলেন বিশ্বভারতীর চালক কর্মী দুলাল আচার্য।
যদিও
তার খুব একটা করার কিছু ছিল না।
অচল
গাড়ি।
অনেকে
মিলে ঠেলে নিয়ে যাওয়া হল নতুন আস্তানায়।
এতদিন
উত্তরায়ণে লতানে আমগাছ তলায় ছোট্ট ঘরের মধ্যে থাকত ১৯৩৩ সালের হাম্বার
(ডব্লুবিএ-৮৬৮৯)।
দেশ-বিদেশের পর্যটকেরা দেখতেন খুব কষ্ট করে।
রবীন্দ্রনাথের সার্ধশতবর্ষে তাঁর ব্যবহৃত গাড়ি এবার স্থান পেল
'উদয়ণের'
পাশে চারিদিকে
কাঁচ লাগানো ঘরে।
পুরনো
ঘর থেকে নতুন ঘরের দূরত্ব ১৫০ মিটার।
এই ১৫০
মিটার মোরামের পথ স্টিয়ারিং কাটিয়ে গন্তব্যে নিয়ে যেতে পারায় আপ্লুত দুলাল।
৮০-এর
দশকে রাষ্ট্রপতি ও বিশ্বভারতীর পরিদর্শক জ্ঞানী জৈল সিং শান্তিনিকেতনে এসে
রবীন্দ্রনাথের ওই গাড়ি দেখে উৎসাহিত হয়ে চাপতে চেয়েছিলেন।
তৎকালীন উপাচার্য অধ্যাপক নিমাইসাধন বসু বুঝিয়ে বলতেই বুঝেছিলেন যে চাপা
ঠিক হবে না।
হাওড়া
মোটর্স গাড়িটিকে নিয়ে গিয়ে মেরামতের প্রস্তাব দিয়েছিল।
গাড়ি
কিন্তু নড়েনি।
রবীন্দ্রনাথের মৃত্যুর পর পুত্র রথীন্দ্রনাথ ঠাকুর চাপতেন এই গাড়িটি।
তার
মৃত্যুর পর গাড়িটি পড়ে ছিল উদয়ণ বাড়ির পাশেই।
রবীন্দ্র ভবনের স্পেশ্যাল অফিসার নীলাঞ্জন বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন,
চারিদিকে
কাঁচের দেয়াল থাকায় দর্শকদের দেখতে আরও সুবিধা হবে।