|
|
|||||||||||||||||||
|
|
|||||||||||||||||||
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
|
||||
|
|
|||||||||||||||||||
|
|
নেতাজীর চিতাভস্ম!
সংলাপ ॥
১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট তাইহোকুতে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসুর মৃত্যু হয়েছিল বলে ব্রিটিশ সরকার ঘোষণা করেছিল। এই ঘোষণার সত্যতা নিয়ে বিতর্ক দেখা দেয়ার পর স্বাধীন ভারতে ১৯৫৬ সালে কেন্দ্রীয় সরকার বিষয়টি তদন্তের জন্য শাহনাওয়াজ খানের নেতৃত্বে কমিটি গঠন করে। তিন সদস্যের সেই কমিটি সিদ্ধান্তে বলেছিল, তাইহোকুতেই নেতাজীর মৃত্যু হয়। কিন্তু এরপরেও বিতর্ক চলতে থাকায় সরকার গঠন করেছিল খোসলা কমিশন। ১৯৭৪ সালে এই কমিশনও আগের কমিশনের বক্তব্যের পুনরাবৃত্তি করে। ইতোমধ্যে ১৯৭৭ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসে জনতা সরকার। সেই সরকারের প্রধানমন্ত্রী হিসাবে মোরারজি দেশাই লোকসভায় বলেন, নেতাজীর মৃত্যু নিয়ে আজও যথেষ্ট সন্দেহ ও বিতর্কের অবকাশ আছে। অথচ তারপরেও সরকার নিশ্চুপ বসে থাকায় এবং আচমকা নেতাজীকে মরণোত্তর ভারতরত্ন খেতাব দেয়ার প্রস্তাব ওঠায় জনস্বার্থ মামলা হয় কলকাতা হাইকোর্টে। গড়া হয় মনোজ মুখোপাধ্যায় কমিশন। অন্যতম মামলাকারী রুদ্রজ্যোতি ভট্টাচার্যের তরফে আইনজীবী কাশীকান্ত মৈত্র ২০ আগস্ট আদালতকে জানান, ২০০৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারী কমিশন গঠিত হওয়ার পর ব্যাপক অনুসন্ধান ও শুনানী শেষে কমিশন সরকারের কাছে রিপোর্ট দাখিল করে। কিন্তু রিপোর্ট নিয়ে কোনও রকম আলোচনা ছাড়াই সরকার সংসদে তা দাখিল করে বলে দেয়, এই রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়। তাই তা খারিজ করা হল। ওই আইনজীবী বলেন, কমিশন তার রিপোর্টে বলেছে, তাইহোকুতে নেতাজীর মৃত্যু হয়নি। বয়সের কারণে এতদিনে তাঁর মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে। রেনকোজি মন্দিতে রক্ষিত চিতাভস্ম আদৌ তাঁর নেতাজীর নয়। কারণ, তথাকথিত ওই বিমান দুর্ঘটনায় তাঁর মৃত্যু হয়নি বলেও সিদ্ধান্ত এসেছিল কমিশন। কমিশনের এই রিপোর্টের পরিপ্রেক্ষিতে হওয়া মামলা আজও কলকাতা হাইকোর্টে বিচারধীন। তা সত্ত্বেও সরকার বাঁকা পথে ওই চিতাভস্ম দেশে আনার চক্রান্ত করেছে বলে তিনি অভিযোগ করেন। ওই আইনজীবী এই অভিযোগের সূত্রে সর্বভারতীয় একটি ইংরেজি দৈনিকের পুনা সংস্করণের প্রতিবেদন আদালতে উল্লেখ করেন। যেখানে লেখা হয়েছে, কেন্দ্রীয় সরকারের সবুজ সংকেত পেয়ে ওয়ার্ল্ড পিস সেন্টার (ডব্লু পি সি) ওই চিতাভস্ম ভারতে আনার উদ্যোগ নিয়েছে। আগামী স্বাধীনতা দিবসের সময় সংস্থাটি তা এদেশে আনতে চায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী, লালকেল্লায় সেই তথাকথিত নেতাজির চিতাভস্মকে সম্মান জানানো হবে। তারপর তা গঙ্গায় বিসর্জিত হবে। আগামী বছরের ১৮ আগষ্ট ওই বিসর্জন পর্ব সমাধা করার দিনক্ষণও ঠিক করা হয়ে গিয়েছে বলে ওই সংস্থাটি সাংবাদিক সম্মেলন করে জানিয়েছে। জাপান সরকার ডব্লু পি সিকে ওই চিতাভস্ম নিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছে বলেও সংস্থাটি দাবি করেছে।
নিরুদ্দেশ মহাদেব!
সংলাপ ॥
কাশ্মীরে
সন্ত্রাস অব্যাহত থাকা সত্ত্বেও অমরনাথ যাত্রা চলছে অবারিতভাবে।
কিন্তু
যে জন্য এই ১২,৮২৯
ফুট উচ্চতায় অবস্থিত অমরনাথ গুহায় পৌঁছাতে পাহাড়ি পথে মহাকষ্টের যাত্রা,
সেটাই এবার হতাশা জাগিয়ে তুলেছে অমরনাথ তীর্থযাত্রী কারণ, বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে অমরনাথগুহার ছাদের ওপরের বরফের স্তর গলে অনেকটা পিছিয়ে গিয়েছে। গুহার ভেতরে বরাবরই হাজার হাজার যাত্রী অমরনাথ দর্শন ও পূজার জন্য একত্র হন। কিন্তু তাদের শ্বাস-প্রাশ্বাস ও শরীরের গরমে তুষারলিঙ্গটি গলে যাওয়ার ঘটনা কোনও কালেই ঘটেনি। এখন ঘটছে আবহাওয়ায় তাপমাত্রা বৃদ্ধির ফলে গুহার ছাদে জমা বরফের স্তর গলে পিছিয়ে যাওয়ার কারণে। গত বছর এমন অভিযোগ উঠেছিল যে ছড়িদাররা (মন্দিরের পুজারি) যাত্রীদের পৌঁছবার আগেই গুহার বাইরে থেকে বরফ নিয়ে গিয়ে জমা করে কৃত্রিম তুষারলিঙ্গ তৈরি করেছিলেন। এই অভিযোগ ওঠায় কাশ্মীরের রাজ্যপাল (যিনি পদাধিকারবলে অমরনাথ মন্দির ট্রাস্টের সভাপতি) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু সে তদন্তের কি ফল হয়েছিল, জানা যায়নি। এবার আর সে অভিযোগ ওঠেনি বটে, কিন্তু গুহামন্দির থেকে মহাদেব স্বয়ং নিরুদ্দেশ হওয়ায় আগামী দিনে আর কেউ বোধ হয় অমরনাথ যেতে চাইবেন না। এর ফলে এই এক-দেড় মাসের যাত্রায় কয়েক লক্ষ পুণ্যার্থী কাশ্মীরের অর্থনীতিতে যে অক্সিজেনটুকু জোগাতেন, সেটাও বন্ধ হয়ে যাবে। বাসমালিক থেকে ঘোড়াওয়ালা, হোটেল রেস্তোরা, হাউসবোটের মালিক, শাল তৈরির কুটিরশিল্পীদের রুজিরোজগারে টান পড়ায় যে আর্থিক ক্ষতি হচ্ছে বা হবে, তা অন্য কোনও ভাবে পূরণ হওয়ার নয়। পর্যটক নির্ভর ভূস্বর্গের অর্থনীতি সন্ত্রাসবাদীদের দৌরাত্ম্য এমনিতেই নগণ্য হয়ে পড়েছে। নিরাপত্তার অভাবে কাশ্মীরে পর্যটক সংখ্যা ভীষণভাবে কমে গেছে। ডাল-ঝিলমের হাউসবোটগুলো খালিই পড়ে থাকছে, শিকারাওয়ালারা পর্যটকের অভাবে দৈনিক রোজগার থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। কীভাবে এই সন্ত্রাস বন্ধ হবে, তা নিয়ে ভারত-পাকিস্তানের মধ্যে মন্ত্রী ও অফিসার পর্যায়ে বারবার মিটিং, আলোচনা হলেও সন্ত্রাস থামার কোন লক্ষ্মণ নেই। বরং শ্রীনগরে রোজই সন্ত্রাসবাদীদের হানা ও পুলিশ-সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাদের সঙ্ঘর্ষ লেগেই আছে, শহরে কার্ফু নিত্য জারি আছে। এই পরিবেশে কে আর প্রাণ হাতে নিয়ে সেখানে বেড়াতে যাবে? তবু যে প্রায় ৪ লক্ষ মানুষ অমরণাথ যাত্রার জন্য পহেলগাঁও ও বালতলে পৌঁছেছেন - মহাদেবের দর্শন ও আশিস পেতে, তিনি স্বয়ং যখন নিরুদ্ধেশ তখন কে আর ভূস্বর্গকে বাঁচাবে, রক্ষা করবে সেখানকার সাধারণ গরিব মানুষদের?
কেলেঙ্কারিতে জড়িয়ে পড়েছে সারকোজি সরকার
ইমরান ॥
কোটিপতি শিল্পপতির সঙ্গে শীর্ষস্থানীয় রাজনৈতিক নেতাদের অসাধু লেনদেনের দাবি শুধু যে নিকোলাই সারকোজির রাষ্ট্রপতি পদকে নড়বড় করে দিচ্ছে তা-ই নয়, ফ্রান্সের শাসক দলের মধ্যে যে পঁচন ধরেছে এই সন্দেহটাকে নতুন করে উসকে দিয়েছে। লরিয়েলের উত্তরাধিকারী লিলিয়ান বেটেনকোর্ট সারকোজির ডানপন্থী দলকে অবৈধভাবে নগদ অর্থ দিয়েছেন, এই অভিযোগ ওঠার কয়েক দিন আগেই বিরোধী এক সাংসদ বলেন, 'আমরা যেন একটি ব্যানানা রিপাবলিকে (ছোট পরনির্ভর দেশ) বাস করি। ফরাসিদের পক্ষে আর তা সহ্য করা সম্ভব নয়।' লিলিয়ান বেটেনকোর্টের প্রাক্তন এক হিসাবরক্ষকের বরাত দিয়ে তদন্তমূলক প্রতিবেদনের ওয়েবসাইট 'মিডিয়াপার্ট' সম্প্রতি এই অভিযোগ তোলার পর কঠিন রাজনৈতিক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছেন নিকোলাই সারকোজি ও তার সরকার। বামপন্থী সাময়িকী মারিআন তাদের ওয়েবসাইটে লিখেছে, জনস্বার্থ সংরক্ষণের কাজে যেসব নৈতিক বিধি থাকা দরকার, প্রেসিডেন্ট সারকোজির আমলে তার সবই লঙ্ঘিত হয়েছে। সারকোজি ও তার নির্বাচনী প্রচারের সময় কোষাধ্যক্ষের দায়িত্বে থাকা বর্তমান শ্রমমন্ত্রী এরিক জ্যাখট অবৈধভাবে অর্থ নেয়ার অভিযোগ জোরালোভাবে অস্বীকার করেছেন। কৌঁসুলিরা ঘটনাটি তদন্ত শুরু করেছেন। এই অভিযোগ আর তদন্তই সারকোজি সরকারের প্রতি দেশবাসীর নৈরাশ্য আর বিরক্তি বাড়িয়ে দেয়ার জন্য যথেষ্ট। কেন না দুই দশকের বেশি সময় ধরে রাজনৈতিক - আর্থিক কেলেঙ্কারিতে ফ্রান্সের জনগণের জীবন বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। আশি ও নব্বইয়ের দশকে প্রধান দক্ষিণপন্থী দলের অবৈধ তহবিল সংগ্রহের দায়ে ২০০৪ সালে প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আলা জুপের কারাদণ্ড স্থগিত হয়েছিল। ওই অপরাধে প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জ্যাক শিরাকের সম্ভাব্য ভুমিকার তদন্ত এখনো চলছে। আলোচিত অন্য অভিযোগগুলোর মধ্যে রয়েছে বিদেশি অস্ত্র চুক্তি থেকে অবৈধ কমিশন নিয়ে তা দলের নির্বাচনী প্রচারে ব্যবহার। ১৯৯৪ সালে সারকোজি বাজেটমন্ত্রী ছিলেন। এই সময় পাকিস্তানে ডুবোজাহাজ বিক্রির ঘটনার তদন্ত আবার সামনে উঠে আসতে পারে। আটের দশকের শেষের দিকে প্রকাশিত হয় যে, ক্ষমতাসীন সোশ্যালিস্টসহ অন্য দলগুলো ভুয়ো পরামর্শক প্রতিষ্ঠান খুলে ও বিভিন্ন উপায়ে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে ঘুষ নিয়েছে। এ নিয়ে গণক্ষোভের মুখে সরকার ১৯৮৮ সালে দেশে প্রথমবারের মতো রাজনৈতিক অর্থায়নের ওপর আইন তৈরি করে। এতে রাজনৈতিক দলে অনুদান ও খরচের কঠোর মাত্রা বেঁধে দেয়া হয়। এটি নজরদারির জন্য একটি সংস্থা গঠন করা হয়। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল তহবিলের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর কর্পোরেট চাঁদার ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে সরকারি বরাদ্দের ব্যবস্থা করা। ১৯৯৫ সালে আরো একটি আইন করে কোম্পানি ও অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অর্থ নেয়া নিষিদ্ধ করা হয়। তবে রাজনৈতিক দলগুলোর পরস্পরকে অর্থ দেয়ার সুযোগ বহাল রাখা হয়। কোনো ব্যক্তি চাইলে কোনো দলকে অনুদান দিতে পারেন। একজন ব্যক্তি একটি দলকে বছরে সর্বোচ্চ সাড়ে সাত হাজার ইউরো এবং প্রার্থীকে সর্বোচ্চ চার হাজার ৬০০ ইউরো দিতে পারবেন। ১৫০ ইউরোর বেশি অনুদান দিতে চাইলে অবশ্যই তা চেকের মাধ্যমে দিতে হবে। বেটেনকোর্টের ঘটনায় এসব নিয়ম লঙ্ঘন করা হয়েছে কি না, তা তদন্ত করা হচ্ছে। তাহলে প্রশ্ন উঠতে পারে, সংস্কার কার্যক্রম কি ব্যর্থ হয়েছে? আর দুর্নীতি কি সেই আগের মতোই রয়ে গেছে? প্যারিসভিত্তিক সংস্থা 'অবজারভেটরি অব পলিটিক্যাল অ্যান্ড পার্লামেন্টারি লাইফ'-এর প্রধান রাষ্ট্রবিজ্ঞানী ডেনিস পুইয়াড মনে করেন, ফ্রান্সের রাজনীতি এখন আটের দশকের চেয়ে অনেক বেশি স্বচ্ছ। বিবিসি নিউজ ওয়েবসাইটকে পুইয়াড বলেন, বড় ধরনের পরিবর্তন হয়েছে। তবে অনিয়ম কমে এলেও সংস্কারের কিছু পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হয়েছে, যার প্রতিকার প্রয়োজন। এই অনিচ্ছাকৃত পার্শ্ব প্রতি ক্রিয়াগুলোর একটি হলো সরকারি তহবিলের সুযোগ পেয়ে রাতারাতি রাজনৈতিক দল গজিয়ে ওঠা। ১৯৯০ সালে ফ্রান্সে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দল ছিল ৩০টিরও কম। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১০ গুণ বেশি। এর মধ্যে কয়েকটি দল মন্ত্রিপরিষদের সদস্যরাই গঠন করেছেন। বেটেনকোর্টের মামলায় 'এরিক জ্যাখেটর কর্মসূচী সহায়ক সংগঠন' নামের একটি সংগঠন আলোচনায় উঠে এসেছে। এ সংগঠনটিকে বেটেনকোর্ট সাড়ে সাত হাজার ইউরো দিয়েছেন, যা পুরোপুরিই বৈধ। এরিক জ্যাখট বর্তমানে শ্রমমন্ত্রী। ফ্রান্সজুড়ে স্থানীয় নেতারা এ রকম দল তৈরিতে ব্যস্ত। পুইয়াডের মতে, তহবিল সংগ্রহ করাই অনেক ছোট দলের একমাত্র লক্ষ্য। বিশ্লেষকদের মতে, বিপদের বিষয় হচ্ছে, বড় দলগুলোর হয়ে অর্থ সংগ্রহের জন্য ছোট দলগুলোকে কাজে লাগানো সম্ভব। যেহেতু দলগুলো নিজেদের মধ্যে অনুদান বিনিময় করতে পারে, সেহেতু একজন দাতা বৈধভাবেই সর্বোচ্চ সীমার মধ্যে থেকে একাধিক ছোট দলকে অনুদান দিতে পারে, যারা আসলে একটি বড় সংগঠনের সঙ্গেই যুক্ত। রাষ্ট্র বিজ্ঞানী পুইয়াড বলেন, আমুল কোনো সংস্কার প্রয়োজন নেই। কিন্তু আইনের ফাঁক ফোকর বন্ধ করা এবং শক্তিশালী পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি গঠন করা প্রয়োজন। এটি ফরাসি ভোটারদের আশ্বস্ত করবে যে তারা 'ব্যানানা রিপাবলিক'-এ বাস করেন না।
ওপার বাংলায় সোমনাথের সাড়া জাগানো বই প্রকাশ হলো
শহীদুল্লাহ ॥
পাক-আফগান সম্মেলন শুরু হচ্ছে রাশিয়ায়
সংলাপ ॥
রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট দিমিত্রি মেদভেদেভ গত বুধবার পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের দুই নেতাকে এক বৈঠকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রের সেনা প্রত্যাহারের আসন্ন মুহূর্তে সম্পর্কের ঘনিষ্ঠতা বাড়ানোই এর লক্ষ্য। রুশ বিশেষজ্ঞদের তথ্য মতে, রাশিয়া ১৯৮৯ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন আমলে আফগানিস্তানে ১০ বছরের যুদ্ধে পরাজয়ের পর হারিয়ে ফেলা আঞ্চলিক প্রভাব ফিরে পাওয়ার চেষ্টা করছে। আর আফগানিস্তান পাকিস্তান ও রাশিয়াকে তাদের পক্ষে একটি বড় সমর্থন হিসেবে দেখছে। প্রথাগতভাবে পাকিস্তানের চেয়ে ভারতের সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক বেশি উষ্ণ। কিন্তু আধিপত্য বাড়ানোর লক্ষ্যে ক্রেমলিন এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যে যোগাযোগ বাড়ানো শুরু করেছে। নিরাপত্তা ও মাদক পাচার ইস্যু নিয়ে সোচির ব্যাক সি অবকাশ যাপন কেন্দ্রে রুশ প্রেসিডেন্ট মেদভেদেভ আফগানিস্তানের প্রেসিডেন্ট হামিদ কারজাই এবং পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট আসিফ আলি জারদারির সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠকে তাজিকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইমোমালি রাখমনও উপস্থিত থাকবেন বলে জানা গেছে। কারণ আফগান মাদক পাচারের অন্যতম পথ তাজিকিস্তান।
রেড ফ্লাগ সালমোনেলা
বিমা ॥
ক্যান্সার
ঠেকাতে এক ব্যাকটেরিয়ার খোঁজ পেয়েছেন চিকিৎসাবিজ্ঞানীরা।
ব্যাকটেরিয়ার নাম
'সালমোনেলা'।
এই
ব্যাকটেরিয়া মানুষসহ উষ্ণ ও শীতল রক্তের সব ধরনের জীবজন্তুর মধ্যেই থাকে।
ইউনিভার্সিটি অফ মিলানের গবেষকদে
অস্ট্রেলিয়া গণমানুষের রাষ্ট্র হবেঃ জুলিয়া গিলার্ড
নাবিল ॥
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী জুলিয়া গিলার্ড জানিয়েছেন রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথের মৃত্যুর পরপরই অস্ট্রেলিয়া সত্যিকারের প্রজাতন্ত্রে উন্নীত হবে। একটি আদর্শ প্রজাতান্ত্রিক রাষ্ট্রে পরিণত হবে অস্ট্রেলিয়া। জুলিয়া গিলার্ড আরো বলেন, রানীর প্রতি রাষ্ট্রের অনেক টান রয়েছে। তাই সে প্রজাতন্ত্রের দিকে এগুতে চাইছে। জুলিয়া গিলার্ড এক সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন। ওই সম্মেলনে তিনি আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী হিসেবে আমি আমার রাষ্ট্রের সবচেয়ে সুন্দর সময়টি আনতে চাই। রাষ্ট্র জনমানুষের হয়ে উঠবে এ সুন্দর সময়ে। আর তাই প্রজাতন্ত্রের ভূমিকাই মুখ্য। তবে রানীর প্রতি পূর্র্ণআস্থা রেখে জুলিয়া গিলার্ড বলেন, আমি তার দীর্ঘ জীবন এবং সুখী সময়ের কামনা করি সব সময়। তবে একই সঙ্গে আমাদের এ সত্যটি মেনে নিতেই হবে যে, অস্ট্রেলিয়া প্রজাতন্ত্রের দিকেই যাচ্ছে। অস্ট্রেলিয়া ব্রিটিশদের অন্তর্ভুক্ত হয়ে কেন্দ্রীয়ভাবে রাজতন্ত্রের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সাধারণ নির্বাচনের এক নির্বাচনী প্রচারণায় গিলার্ড তার প্রতিদ্বন্দ্বী নেতা টনি এবোটের উদ্দেশে এমন মন্তব্য করেন। কারণ এবোট রাজতন্ত্রকেই সুন্দর ব্যবস্থা বলে মনে করে আসছেন। টনি এবোট পুনরায় গতকাল বলেন, বর্তমানের সরকার ব্যবস্থাই অস্ট্রেলিয়ার জন্য একটি সুন্দর ব্যবস্থা। জুলিয়া গিলার্ড চলতি বছর অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নির্বাচিত হন। তিনিই অস্ট্রেলিয়ার প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।
এবার বাসে উঠে পণবন্দী
ইশা ॥
ইরানের চালকবিহীন বিমান
সংলাপ ॥
ইরানে তৈরি
প্রথম দীর্ঘপাল্লার চালকবিহীন যুদ্ধ বিমান বা ইউএভি'র
উদ্বোধন করা হয়েছে।
প্রতিরক্ষা শিল্প দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে
'কারার'
নামে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এ চালকবিহীন বিমানের উদ্বো এদিকে চালকবিহীন বিমান 'রাদ' ও 'নাজির' এর উৎপাদন এরই মধ্যে শুরু করা হয়েছে। দুই বিমান বোমাবর্ষণ ও নজরদারির কাজে ব্যবহার করা যাবে। 'রাদ' বা বজ্র এবং 'নাজির' বা অগ্রদূত দীর্ঘপাল্লার জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন ইরানি কর্মকর্তারা। গত ফেব্রুয়ারিতে এ দু'টি বিমান তৈরির কারখানা উদ্বোধন করা হয়। ইরাকের চাপিয়ে দেয়া যুদ্ধের সময় ইরান অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচী চালু করে। এ যুদ্ধ ১৯৮০ সাল থেকে শুরু হয় '৮৮ সাল পর্যন্ত চলেছে। ইরাক যুদ্ধের সময় মার্কিন ও তার পাশ্চাত্যের মিত্রদের অস্ত্র নিষেধাজ্ঞা মোকাবেলার জন্য ইরান অস্ত্র উন্নয়ন কর্মসূচী শুরু করে। ১৯৯২ সাল থেকে ইরান নিজেই ট্যাংক, সাঁজোয়া যান, ক্ষেপণাস্ত্র ও যুদ্ধবিমান তৈরি করতে শুরু করে এবং ২০০৯ সালের জুন মাসে ইরান রাডার ফাঁকি দিতে সক্ষম চালকবিহীন বোমারু বিমানের সফল পরীক্ষা চালায়। ২০০৮ সালে ইরানের প্রতিরক্ষা শিল্প দেশে তৈরি সায়কে বা বজ্র ও আজারখশ বা বিদ্যুৎ নামে দু'টি বিমান তৈরি শুরু করে। |
|
|||||||||||||||||
|
|
|
|
|||||||||||||||||
|
|
|||||||||||||||||||